GPA
Calculator BD

ডেসিমেল টু বাইনারি ক্যালকুলেটর

Decimal to Binary Calculator (ডেসিমেল টু বাইনারি ক্যালকুলেটর) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (HSC ICT) শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য লাইভ রূপান্তর টুল। এখানে যেকোনো দশমিক সংখ্যা ইনপুট করা মাত্রই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাইনারি (Base 2), অক্টাল (Base 8) এবং হেক্সাডেসিমেল (Base 16) ফরম্যাটে রূপান্তরিত হয়। সাথে পাওয়া যাবে HSC পরীক্ষার প্রশ্নের মতো ধাপে ধাপে ২ দিয়ে ভাগ ও ভাগশেষ (MSB/LSB) প্রদর্শনের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ।

HSC ICT & CSE ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স মানসম্মত রূপান্তর
ডেসিমেল টু বাইনারি ক্যালকুলেটর

ডেসিমেল, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল লাইভ কনভার্টার এবং ধাপে ধাপে ভাগশেষ সমাধান

ইনপুট নির্বাচন করুন

Base-10
জনপ্রিয় টেস্ট ভ্যালু (Presets):
ডেসিমেল (Decimal)Base 10
42
সাধারণ গাণিতিক গণনা
বাইনারি (Binary)Base 2
101010
৪-বিট নিবল: 0010 1010
অক্টাল (Octal)Base 8
52
প্রতি ৩-বিট বাইনারি সমান
হেক্সাডেসিমেল (Hex)Base 16
0x2A
প্রতি ৪-বিট বাইনারি সমান
কম্পিউটার মেমোরি ও বিট ফরম্যাট বিশ্লেষণ
১ বাইট (8-bit Byte):
0010 | 1010
২-এর পরিপূরক (Signed 8-bit):
0010 1010
২ বাইট (16-bit Word):
0000 0000 0010 1010
ধাপে ধাপে গাণিতিক সমাধান (HSC ICT পরীক্ষার ফরম্যাট)

দশমিক (42)₁₀ থেকে বাইনারি (101010)₂ রূপান্তরের ভাগশেষ পদ্ধতি

ক্রমিক ভাগ পদ্ধতি (Successive Division)
১. ভাজ্যকে ২ দিয়ে বারবার ভাগ এবং ভাগশেষ সংরক্ষণ:
ধাপভাজ্য (Dividend)ভাজক (Divisor)ভাগফল (Quotient)ভাগশেষ (Remainder / Bit)ব্যাখ্যা
#142÷ 2210LSB (সর্বনিম্ন গুরুত্বের বিট)
#221÷ 2101
#310÷ 250
#45÷ 221
#52÷ 210
#61÷ 201MSB (সর্বোচ্চ গুরুত্বের বিট)
পড়ার সঠিক নিয়ম: ভাগশেষগুলো নিচ থেকে উপরে (Bottom-up) সাজিয়ে লিখতে হবে। অর্থাৎ শেষ ভাগশেষটি হবে MSB (বামপাশে) এবং প্রথম ভাগশেষটি হবে LSB (ডানপাশে)।
ফলাফল: (42)₁₀ = (101010)₂
২. বিপরীত প্রমাণ: স্থানীয় মান অনুযায়ী যোগফল (Place Value Verification):
সূত্রের গঠন: ∑ (বিট × ২^পজিশন)
= (1 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (0 × 20)
= 32 + 0 + 8 + 0 + 2 + 0
= 42 (Decimal প্রমাণিত)
দ্রুত রেফারেন্স টেবিল (০ থেকে ১৫ এর ৪-বিট চার্ট)
Decimal (১০)Binary (২)Octal (৮)Hex (১৬)
0000000
1000111
2001022
3001133
4010044
5010155
6011066
7011177
81000108
91001119
10101012A
11101113B
12110014C
13110115D
14111016E
15111117F
Share this tool with friends:

লেখক ও এক্সপার্ট রিভিউ পরিচিতি (Author & Editorial Review)

প্রস্তুতকারী ও শিক্ষক বিশেষজ্ঞ:
কাজী সামসুল আলম
প্রভাষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - ICT), প্রাক্তন সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ও এমবেডেড সিস্টেম গবেষক।
বিএসসি ও এমএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
দীর্ঘ ১২ বছরের পাঠদান অভিজ্ঞতা: এইচএসসি আইসিটি (অধ্যায় ৩: সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস) এবং পলিটেকনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি বিভাগ।


ভূমিকা: ডিজিটাল যুগে সংখ্যা পদ্ধতির গুরুত্ব ও প্রয়োগ

আমরা দৈনন্দিন জীবনে যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করি, তা হলো দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System - Base 10)। এতে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত মোট ১০টি মৌলিক প্রতীক বা অঙ্ক রয়েছে। তবে আধুনিক কম্পিউটার, মাইক্রোপ্রসেসর এবং মোবাইল ফোনের ডিজিটাল সার্কিট কোনো মানুষের ভাষা বা দশমিক সংখ্যা সরাসরি বোঝে না।

কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ ট্রানজিস্টর মূলত দুটি বৈদ্যুতিক অবস্থায় কাজ করে—বিদ্যুৎ উপস্থিত (ON / 5V বা 3.3V) এবং বিদ্যুৎ অনুপস্থিত (OFF / 0V)। এই দুটি অবস্থাকে গণিতে প্রকাশ করার জন্য উদ্ভাবন করা হয় দ্বিমিক বা বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System - Base 2), যার অঙ্ক মাত্র দুটি: ০ এবং ১।

প্রতিটি ডিজিটাল ফাইল, ছবি, ভিডিও, সফটওয়্যার কোড এবং মেমোরির অভ্যন্তরীণ ডাটা শেষ পর্যন্ত এই ০ এবং ১ এর বিট ধারায় সংরক্ষিত থাকে। তাই কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বাংলাদেশের উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) পরীক্ষায় সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর অত্যন্ত মৌলিক ও অপরিহার্য একটি বিষয়।


ডেসিমেল থেকে বাইনারিতে রূপান্তরের নিয়মাবলি (Step-by-Step Methodology)

বাস্তব ক্ষেত্রে দশমিক সংখ্যা দুই ধরণের হতে পারে:

  1. পূর্ণসংখ্যা (Integer Part)
  2. ভগ্নাংশ বা ভগ্নসংখ্যা (Fractional Part)

উভয় অংশের রূপান্তরের নিয়ম সম্পূর্ণ আলাদা। নিচে দুটি পদ্ধতিই বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

১. পূর্ণসংখ্যার ক্ষেত্রে: ক্রমিক ভাগ পদ্ধতি (Successive Division-by-2)

দশমিক পূর্ণসংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করতে নিচের ৩টি ধাপ অনুসরণ করতে হয়:

  1. প্রদত্ত দশমিক সংখ্যাটিকে ভাজক ২ দ্বারা ভাগ করতে হবে।
  2. প্রাপ্ত ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে (০ অথবা ১) ডানপাশে সংরক্ষণ করতে হবে।
  3. এই প্রক্রিয়াটি ততক্ষণ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়।
  4. সর্বশেষে সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে ওপরের দিকে (Bottom to Up) সাজিয়ে লিখলে কাঙ্ক্ষিত বাইনারি মান পাওয়া যায়।

গাণিতিক উদাহরণ: দশমিক সংখ্যা (42) (10) কে বাইনারিতে রূপান্তর

ধাপভাজ্য (Dividend)ভাগ (Divisor)ভাগফল (Quotient)ভাগশেষ (Remainder)বিটের অবস্থান
১৪২÷ ২২১০LSB (সর্বনিম্ন গুরুত্ব)
২২১÷ ২১০১
৩১০÷ ২৫০
৪৫÷ ২২১
৫২÷ ২১০
৬১÷ ২০১MSB (সর্বোচ্চ গুরুত্ব)

ভাগফল যখন ০ হলো, তখন গণনা সমাপ্ত।
এখন ভাগশেষগুলো নিচ থেকে উপরে সাজালে পাই: ১ ০ ১ ০ ১ ০
অতএব: ** (42) (10) = (101010) **


২. গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা: MSB এবং LSB কী?

এইচএসসি আইসিটি পরীক্ষার বহুনির্বাচনী ও সৃজনশীল প্রশ্নে শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে সাধারণ ভুলের জায়গা হলো MSB ও LSB এর দিক নির্দেশনা:

  • MSB (Most Significant Bit - সর্বোচ্চ গুরুত্বের বিট): বাইনারি সংখ্যার সর্ববামের বিটটিকে MSB বলা হয়। কারণ এই বিটের স্থানীয় মান বা ওজন (Weight) সবচেয়ে বেশি ( 2^n-1 )। পূর্ণসংখ্যার রূপান্তরে সর্বশেষ প্রাপ্ত ভাগশেষটি হলো MSB।
  • LSB (Least Significant Bit - সর্বনিম্ন গুরুত্বের বিট): বাইনারি সংখ্যার সর্বডানের বিটটিকে LSB বলা হয়। এই বিটের স্থানীয় মান সবচেয়ে কম ( 2^0 = 1 )। রূপান্তরের সময় প্রথম প্রাপ্ত ভাগশেষটি হলো LSB।

সতর্কতা: শিক্ষার্থীরা প্রায়শই পরীক্ষার খাতায় ভাগশেষগুলো ওপর থেকে নিচে লিখে ফেলে, যা সম্পূর্ণ ভুল ফলাফল দেয়। মনে রাখবেন: পূর্ণসংখ্যার ভাগশেষ সবসময় নিচ থেকে উপরে সাজাতে হয়।


৩. ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে: ক্রমিক গুণ পদ্ধতি (Successive Multiplication-by-2)

দশমিক ভগ্নাংশ সংখ্যাকে (যেমন: 0.625 ) বাইনারি করার নিয়ম সম্পূর্ণ বিপরীত:

  1. ভগ্নাংশটিকে ২ দিয়ে গুণ করতে হবে।
  2. গুণফলের পূর্ণাংশ (০ অথবা ১) আলাদা কলামে লিখে রাখতে হবে এবং অবশিষ্ট ভগ্নাংশটিকে নিয়ে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে।
  3. এই প্রক্রিয়াটি ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ ভগ্নাংশ শূন্য হয় অথবা নির্দিষ্ট আবৃত্ত দশমিক পর্যন্ত না পৌঁছায়।
  4. পূর্ণাংশগুলোকে উপর থেকে নিচের দিকে (Top to Down) সাজিয়ে লিখতে হয়।

উদাহরণ: (0.625) (10) কে বাইনারিতে রূপান্তর

ধাপগুণ প্রক্রিয়াপ্রাপ্ত গুণফলসংরক্ষিত পূর্ণাংশ (Bit)দিক
১0.625 × 21.250১MSB (প্রথম বিট) ↓
২0.250 × 20.500০↓
৩0.500 × 21.000১LSB (শেষ বিট)

যেহেতু ভগ্নাংশ অংশ 0.000 হয়ে গেছে, তাই প্রক্রিয়া সমাপ্ত।
উপর থেকে নিচে সাজিয়ে পাই: .101
অতএব: ** (0.625) (10) = (0.101) **

পূর্ণসংখ্যা ও ভগ্নাংশ একসাথে থাকলে: ** (42.625) (10) = (101010.101) **


বাইনারি থেকে ডেসিমেল: স্থানীয় মান যোগ পদ্ধতি (Place Value Expansion)

বাইনারি সংখ্যা থেকে দশমিকে ফেরত যাওয়ার গাণিতিক ভিত্তি হলো ** 2ⁿ ধারার স্থানীয় মান**।

ডানপাশ থেকে বামপাশে প্রতিটি বিটের অবস্থান শুরু হয় ০ থেকে ( 2^0, 2^1, 2², 2³, 2^4, 2^5, dots )।

গাণিতিক সূত্র (Formula)
Decimal Value = ∑ (Bit × 2^i)

দ্রুত হিসাবের জন্য ৮-৪-২-১ ম্যাজিক স্কেল:

২-এর ঘাত2^72^62^52^42³2²2^12^0
মান১২৮৬৪৩২১৬৮৪২১
বিট ( 101010 )00101010
যোগফল--৩২+ ০+ ৮+ ০+ ২+ ০
গাণিতিক সূত্র (Formula)
মোট যোগফল = 32 + 8 + 2 = 42

অর্থাৎ মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই যেকোনো বাইনারি বিটের নিচে এই ঘাতগুলো লিখে যোগ করে দিলে দশমিক মান বের করা সম্ভব।


সাইনড সংখ্যা ও ২-এর পরিপূরক (Two's Complement Arithmetic)

কম্পিউটার হার্ডওয়্যারে কোনো বিয়োগের সার্কিট (Subtractor) রাখা হয় না; বরং এডার (Adder) সার্কিটের মাধ্যমে যোগের সাহায্যেই সব ধরণের বিয়োগ সম্পন্ন করা হয়। এই উদ্দেশ্যেই উদ্ভাবিত হয়েছে ২-এর পরিপূরক (2's Complement) পদ্ধতি।

২-এর পরিপূরক গঠনের ৩টি ধাপ:

  1. প্রকৃত মান (True Binary): সংখ্যাটির ধনাত্মক মানের বাইনারি রূপ নির্ণয় করে ৮-বিট বা ১৬-বিট রেজিস্টারে সাজানো। (৮-বিট রেজিস্টারে সর্ববামের বিটটি হলো সাইন বিট: 0 হলে ধনাত্মক, 1 হলে ঋণাত্মক)।
  2. ১-এর পরিপূরক (1's Complement): বিটগুলোকে উল্টে দেওয়া (০ থাকলে ১, ১ থাকলে ০)।
  3. ২-এর পরিপূরক (2's Complement): ১-এর পরিপূরকের সাথে গাণিতিকভাবে ১ যোগ করা।

উদাহরণ: ৮-বিট রেজিস্টারে (-5) এর মান নির্ণয়:

  • +5 এর সাধারণ বাইনারি = 101
  • ৮-বিট রেজিস্টারে +5 = 00000101 (সাইন বিট ০)
  • ১-এর পরিপূরক (বিট উল্টিয়ে) = 11111010
  • এর সাথে +1 যোগ করলে পাওয়া যায়:
    • 11111010 + 00000001 = 11111011
  • অতএব, ৮-বিট সিস্টেমে ** (-5) (10) = (11111011) **

বাস্তব ক্লাসরুম ও বোর্ড পরীক্ষার কেস স্টাডি (Classroom Insights)

কেস স্টাডি: ঢাকা বোর্ড ও এইচএসসি আইসিটি শিক্ষার্থীদের সাধারণ ভুল

প্রতি বছর প্রায় ৩ লক্ষ শিক্ষার্থী এইচএসসি আইসিটি পরীক্ষা দেয়। আমাদের শিক্ষক প্যানেলের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ৩য় অধ্যায়ের সংখ্যা পদ্ধতি প্রশ্নে প্রায় ৩৫% শিক্ষার্থী ৩টি সাধারণ ভুলে পূর্ণ নম্বর হারায়:

  1. অক্টাল ও বাইনারি রূপান্তরে বিট গ্রুপিংয়ে ভুল: অক্টাল থেকে বাইনারি করতে গেলে প্রতি অংকের জন্য ঠিক ৩টি বিট নিতে হয় (যেমন: অক্টাল ৫ = বাইনারি 101, কিন্তু অক্টাল ২ = 010, অনেকেই শুধু 10 লিখে ফেলে)।
  2. হেক্সাডেসিমেলের কোড ভুলে যাওয়া: A=10, B=11, C=12, D=13, E=14, F=15—এখানে ভুল করে F কে ১৬ বা E কে ১৩ লিখে ফেলা।
  3. ভগ্নাংশের গুণফলে থামার সীমা না দেওয়া: অনেক সময় ভগ্নাংশের গুণফল অসীম আবৃত্ত সংখ্যায় রূপ নেয়। শিক্ষার্থীরা চলতেই থাকে এবং সময় নষ্ট করে। পরীক্ষার নিয়মানুযায়ী সর্বোচ্চ ৩ বা ৪ ধাপ করেই ডট ডট (...) দিয়ে শেষ করতে হয়।

আমাদের এই অনলাইন ক্যালকুলেটরে আপনি যেকোনো সংখ্যা বসিয়ে পরীক্ষার খাতার সমাধানের সাথে শতভাগ মিলিয়ে নিতে পারবেন।


অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল শর্টকাট রূপান্তর কৌশল

বাইনারি সংখ্যার বড় ধারাকে সহজে পড়ার জন্য প্রোগ্রামাররা অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল ব্যবহার করেন:

সংখ্যা পদ্ধতিবেস (Base)১টি ডিজিটের জন্য বাইনারি বিট সংখ্যাউদাহরণ
Binary২১ বিট10110110
Octal৮৩ বিট ( 2³ = 8 )(266)
Hexadecimal১৬৪ বিট ( 2^4 = 16 )(B6) (16)
  • বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেল করার নিয়ম: ডানদিক থেকে প্রতি ৪টি করে বিটের গ্রুপ বানান। যেমন: 1011 0110 arrow 1011 হলো B (১১) এবং 0110 হলো 6। সুতরাং মান হবে B6।
  • বাইনারি থেকে অক্টাল করার নিয়ম: ডানদিক থেকে প্রতি ৩টি করে বিটের গ্রুপ বানান। যেমন: 010 110 110 arrow 2 6 6 অর্থাৎ 266।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি (FAQ)

১. দশমিক থেকে বাইনারিতে রূপান্তরের মূল সূত্র বা অ্যালগরিদম কী?

দশমিক পূর্ণসংখ্যাকে ক্রমিক ভাগ পদ্ধতিতে প্রতিবার ২ দিয়ে ভাগ করতে হয়। প্রতি ধাপের ভাগফলকে পুনরায় ভাজ্য হিসেবে নেওয়া হয় এবং ভাগশেষ (০ বা ১) আলাদাভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়। ভাগফল ০ হলে সবশেষ ভাগশেষ থেকে প্রথম ভাগশেষ পর্যন্ত নিচ থেকে উপরে সাজিয়ে বাইনারি মান পাওয়া যায়।

২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ ও ১ ছাড়া অন্য কোনো অংক থাকে না কেন?

বাইনারি বা দ্বিমিক পদ্ধতির বেস (ভিত্তি) হলো ২। যেকোনো সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি যত, তাতে ঠিক ততটি প্রতীক বা ডিজিট থাকে। যেমন ডেসিমেলের বেস ১০ তাই ০-৯ (১০টি প্রতীক)। বাইনারির ভিত্তি ২ হওয়ায় এতে শুধুমাত্র দুটি চিহ্ন—০ এবং ১ ব্যবহৃত হয়।

৩. কম্পিউটার কেন ডেসিমেল সংখ্যা সরাসরি বোঝে না?

কম্পিউটার ডিজিটাল সিলিকন চিপ ও ট্রানজিস্টর দিয়ে গঠিত। ট্রানজিস্টরে কোটি কোটি সুইচ রয়েছে যা কেবল দুটি স্পষ্ট ভোল্টেজ অবস্থা শনাক্ত করতে পারে—হাই ভোল্টেজ (ON) এবং লো ভোল্টেজ (OFF)। ১০টি আলাদা আলাদা ভোল্টেজ লেভেল তৈরি ও নিখুঁতভাবে মেইনটেইন করা অত্যন্ত জটিল ও নয়েজ-প্রবণ, তাই ডিজিটাল সার্কিটে বাইনারি ব্যবহার সবচেয়ে স্থিতিশীল ও কার্যকর।

৪. ৪-বিট নিবল (Nibble) এবং ৮-বিট বাইট (Byte) কী?

বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি ০ বা ১ হলো ১টি বিট (Bit - Binary Digit)। ৪টি বিটের সমন্বয়কে বলা হয় ১ নিবল (Nibble)। আর ৮টি বিটের সমষ্টিকে বলা হয় ১ বাইট (Byte)। যেমন: 1100 1010 হলো ১ বাইট, যার প্রথম ৪ বিট একটি নিবল এবং পরের ৪ বিট আরেকটি নিবল।

৫. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮ বা ৯ কেন গ্রহণযোগ্য নয়?

অক্টাল পদ্ধতির ভিত্তি হলো ৮। এতে কেবল ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ এবং ৭—এই মোট আটটি প্রতীক রয়েছে। তাই অক্টাল পদ্ধতিতে ৮ বা ৯ লেখার কোনো সুযোগ নেই।



রেফারেন্স ও বহিরাগত প্রাতিষ্ঠানিক উৎস (Authoritative Sources)

  1. জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) - উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পাঠ্যপুস্তক (অধ্যায় ৩: সংখ্যা পদ্ধতি)।
  2. বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) - ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার টেকনোলজি কারিকুলাম ও ডিজিটাল লজিক ডিজাইন হ্যান্ডবুক।
  3. IEEE Computer Society Standards - IEEE 754 Floating-Point Arithmetic Standard & Binary Representation Specifications.
  4. Tanenbaum, Andrew S. Structured Computer Organization (6th Edition) - Number Systems, Logic Gates and Arithmetic Logic Unit (ALU).