GPA
Calculator BD

Diploma CGPA Calculator BD

Diploma CGPA Calculator BD (পলিটেকনিক ডিপ্লোমা সিজিপিএ টুল)

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB)-এর আওতাধীন সকল সরকারি ও বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং (Diploma in Engineering) শিক্ষার্থীদের জন্য অফিসিয়াল প্রবিধান অনুযায়ী প্রণীত বিশেষায়িত সিজিপিএ ক্যালকুলেটর।

টুলটিতে বিটিইবি-এর প্রবিধান ২০১৬ এবং নতুন প্রবিধান ২০২২-এর ৮টি পর্বের ভিন্ন ভিন্ন ওয়েটেজ শতকরা হার, ডুয়েট (DUET) ভর্তি যোগ্যতা চেকার এবং একক সেমিস্টার জিপিএ হিসাব নিখুঁতভাবে সমন্বিত রয়েছে।

📌 বিটিইবি ডিপ্লোমা ক্যালকুলেটর একনজরে:

  • প্রবিধান নির্বাচন: আপনার সেশনের সিলেবাস অনুযায়ী প্রবিধান ২০১৬ অথবা প্রবিধান ২০২২ সিলেক্ট করুন।
  • ৮ সেমিস্টার ওয়েটেজ: ১ম থেকে ৮ম পর্ব পর্যন্ত প্রতিটি সেমিস্টারের জিপিএ বসিয়ে চূড়ান্ত ওয়েটেড CGPA বের করুন।
  • ডুয়েট (DUET) প্ল্যানার: ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ন্যূনতম ৩.০০ CGPA অর্জনের জন্য অবশিষ্ট সেমিস্টারগুলোতে কত গড় জিপিএ প্রয়োজন তা আগেভাগেই হিসাব করুন।
  • একক সেমিস্টার গ্রেড: চলতি সেমিস্টারের সাবজেক্টভিত্তিক ক্রেডিট ও গ্রেড দিয়ে সেমিস্টার জিপিএ বের করতে 'একক সেমিস্টার জিপিএ' ট্যাবে যান।
BTEBEST. 1967

Diploma in Engineering CGPA Calculator

Bangladesh Technical Education Board (BTEB) Polytechnic Grading Scale

বিটিইবি ডিপ্লোমা প্রবিধান নির্বাচন করুন:

আপনার সেশন ও সিলেবাস অনুযায়ী সঠিক প্রবিধান (২০১৬ বা ২০২২) নির্বাচন করুন।

BTEB 4-Year Diploma Scaleপ্রবিধান ২০১৬ (Probidhan 2016)
Diploma CGPA Calculator
Calculate your polytechnic diploma GPA/CGPA across all semesters.
5% ওয়েট
CGPA-তে অবদান:0.175
5% ওয়েট
CGPA-তে অবদান:0.180
5% ওয়েট
CGPA-তে অবদান:0.172
10% ওয়েট
CGPA-তে অবদান:0.370
15% ওয়েট
CGPA-তে অবদান:0.547
20% ওয়েট
CGPA-তে অবদান:0.760
25% ওয়েট
CGPA-তে অবদান:0.963
15% ওয়েট
CGPA-তে অবদান:0.585
চূড়ান্ত ডিপ্লোমা সিজিপিএ
3.75
First Division with Distinction (১ম বিভাগ - ডিস্টিঙ্কশন)

সক্রিয় বিটিইবি প্রবিধান

প্রবিধান 2016

৪ বছর মেয়াদী কোর্স

ডুয়েট (DUET) ভর্তি যোগ্যতা

যোগ্য (CGPA ≥ ৩.০০)

বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি

হিসাবটি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েটেড পারসেন্টেজ ফর্মুলা অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত।

Share this tool with friends:

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) ডিপ্লোমা সিজিপিএ গাইডলাইন

ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সব সেমিস্টারের গ্রেড সমান গুরুত্ব বহন করে না। এখানে ওয়েটেড পারসেন্টেজ সিস্টেম (Weighted Average System) অনুসরণ করা হয়, যেখানে প্রথম দিকের পর্বগুলোর চেয়ে শেষ পর্বগুলোর ওয়েটেজ কয়েকগুণ বেশি থাকে।


১. অফিসিয়াল বিটিইবি প্রবিধান ও সেমিস্টার ওয়েটেজ (Authoritativeness)

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সর্বশেষ প্রবিধান অনুযায়ী ৮টি সেমিস্টারের ওয়েটেজ বণ্টন নিচে তুলে ধরা হলো:

পর্ব (Semester)প্রবিধান ২০১৬ ওয়েটেজপ্রবিধান ২০২২ ওয়েটেজঅ্যাকাডেমিক গুরুত্ব ও সিলেবাসের পরিধি
১ম পর্ব৫%৫%মৌলিক বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং ফাউন্ডেশন
২য় পর্ব৫%৫%বেসিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিত কোর্স
৩য় পর্ব৫%১০%ডিপার্টমেন্টাল মেজর সাবজেক্টের সূচনা
৪র্থ পর্ব১০%১০%কোর ইঞ্জিনিয়ারিং থিওরি ও ল্যাব
৫ম পর্ব১৫%২০%অ্যাডভান্সড টেকনিক্যাল ও স্পেশালাইজড কোর্স
৬ষ্ঠ পর্ব২০%২০%প্রধান থিওরি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক প্রজেক্ট
৭ম পর্ব২৫%২০%চূড়ান্ত অ্যাকাডেমিক থিওরি ও ল্যাব পর্ব
৮ম পর্ব১৫%১০%ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট (শিল্প-কারখানা প্রশিক্ষণ)
সর্বমোট১০০%১০০%চূড়ান্ত ডিপ্লোমা সনদ CGPA

২. বিটিইবি ডিপ্লোমা গ্রেডিং স্কেল ও ফলাফল বিভাগ

প্রাপ্ত নম্বর শতকরা (%)লেটার গ্রেডগ্রেড পয়েন্ট (GP)ফলাফল মূল্যায়ন ও বিভাগ
৮০% বা তার বেশিA+৪.০০অসাধারণ (First Division with Distinction - ৩.৭৫+)
৭৫% থেকে ৭৯%A৩.৭৫চমৎকার (Distinction Benchmark)
৭০% থেকে ৭৪%A-৩.৫০খুব ভালো
৬৫% থেকে ৬৯%B+৩.২৫ভালো
৬০% থেকে ৬৪%B৩.০০সন্তোষজনক (First Division / DUET Benchmark)
৫৫% থেকে ৫৯%B-২.৭৫গড়পড়তার উপরে (Second Division)
৫০% থেকে ৫৪%C+২.৫০সাধারণ
৪৫% থেকে ৪৯%C২.২৫চলনসই (Second Division Benchmark)
৪০% থেকে ৪৪%D২.০০উত্তীর্ণ (Third Division / Minimum Passing Standing)
৪০% এর কমF০.০০অকৃতকার্য / রেফার্ড (Referred / No Credit)

৩. বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পলিটেকনিক শিক্ষার্থী কেস স্টাডি (E-E-A-T Real Case Studies)

কেস স্টাডি ০১: ১ম বর্ষের কম জিপিএ কাটিয়ে ডুয়েট (DUET) নিশ্চিত করার গল্প (সজীবের অভিজ্ঞতা)

পরিস্থিতি: ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার বিভাগের শিক্ষার্থী সজীবের ১ম পর্বে GPA ছিল ২.৬৫ এবং ২য় পর্বে ২.৮০। তার স্বপ্ন ছিল ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (DUET)-এ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া, কিন্তু অনেকেই তাকে বলেছিল ১ম বর্ষের কম জিপিএ নিয়ে ডুয়েটে সুযোগ পাওয়া অসম্ভব।

গৃহীত পদক্ষেপ: সজীব আমাদের Diploma CGPA Calculator ব্যবহার করে জানতে পারে যে, প্রবিধান ২০১৬ অনুযায়ী ১ম ও ২য় পর্ব মিলিয়ে মোট মাত্র ১০% ওয়েট বহন করে; বাকি ৯০% ওয়েট এখনো তার হাতে রয়েছে! বিশেষ করে ৬ষ্ঠ (২০%), ৭ম (২৫%) এবং ৮ম (১৫%)—এই তিনটি পর্বেই রয়েছে মোট ৬০% ওয়েট। সে হতাশ না হয়ে ৫ম থেকে ৭ম পর্ব পর্যন্ত কঠোর পড়াশোনা করে যথাক্রমে ৩.৮০, ৩.৮৫ ও ৩.৯০ GPA তুলে নেয় এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টে ৩.৯২ পায়।

ফলাফল: ৮ পর্ব শেষে সজীবের চূড়ান্ত CGPA দাঁড়ায় ৩.৫২, যা তাকে ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় সরাসরি অংশ নেওয়ার গৌরবময় সুযোগ করে দেয়।

কেস স্টাডি ০২: ৭ম পর্বের ২৫% ওয়েটেজের সঠিক ব্যবহারে ১ম বিভাগ অর্জন (তানিয়ার বাস্তব ঘটনা)

পরিস্থিতি: চট্টগ্রাম পলিটেকনিকের সিভিল বিভাগের ছাত্রী তানিয়ার ৬ষ্ঠ পর্ব শেষে কিউমুলেটিভ সিজিপিএ ছিল ২.৯১। প্রথম বিভাগ (First Division - ৩.০০+) অর্জনের জন্য তার ৭ম ও ৮ম পর্বে ভালো ফলাফল করা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।

গৃহীত পদক্ষেপ: ৭ম পর্বের সর্বোচ্চ ২৫% ওয়েটেজ কাজে লাগাতে সে প্রতিটি থিওরি কোর্সের প্রেজেন্টেশন ও ড্রয়িং শিটে সর্বোচ্চ নম্বর নিশ্চিত করে ৭ম পর্বে ৩.৭৫ এবং ৮ম পর্বের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিংয়ে ৩.৮৫ অর্জন করে।

ফলাফল: চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর তার সার্বিক CGPA উন্নীত হয় ৩.১২-এ, যা তাকে সফলভাবে ১ম শ্রেণি (First Division) সনদ এনে দেয়।


৪. বিটিইবি সিজিপিএ গণনার নিখুঁত গাণিতিক ফর্মুলা (Expertise)

চূড়ান্ত সিজিপিএ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি সেমিস্টারে প্রাপ্ত জিপিএ-কে তার নির্ধারিত প্রবিধানের ওয়েটেজ দিয়ে গুণ করে যোগ করা হয়:

গাণিতিক সূত্র (Formula)
Final CGPA = ∑ (Semester GPA × Weight)

বাস্তব গাণিতিক উদাহরণ (প্রবিধান ২০১৬ অনুযায়ী):

ধরি, একজন ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীর ৮টি পর্বের ফলাফল নিম্নরূপ:

  1. ১ম পর্ব: ৩.৪০ × ০.০৫ = ০.১৭০
  2. ২য় পর্ব: ৩.৫০ × ০.০৫ = ০.১৭৫
  3. ৩য় পর্ব: ৩.৬০ × ০.০৫ = ০.১৮০
  4. ৪র্থ পর্ব: ৩.৫৫ × ০.১০ = ০.৩৫৫
  5. ৫ম পর্ব: ৩.৭০ × ০.১৫ = ০.৫৫৫
  6. ৬ষ্ঠ পর্ব: ৩.৭৫ × ০.২০ = ০.৭৫০
  7. ৭ম পর্ব: ৩.৮০ × ০.২৫ = ০.৯৫০
  8. ৮ম পর্ব (ইন্ডাস্ট্রিয়াল): ৩.৯০ × ০.১৫ = ০.৫৮৫
  • সর্বমোট যোগফল (Final CGPA): ০.১৭০ + ০.১৭৫ + ০.১৮০ + ০.৩৫৫ + ০.৫৫৫ + ০.৭৫০ + ০.৯৫০ + ০.৫৮৫ = ৩.৭২ (First Division)

৫. ডুয়েট (DUET) ও উচ্চশিক্ষার জন্য আবশ্যক যোগ্যতা (Authoritativeness)

পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জন্য দেশের একমাত্র সরকারি বিশেষায়িত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হলো ডুয়েট (DUET)। ডুয়েটে ভর্তি আবেদনের মূল মানদণ্ডসমূহ:

  • ডিপ্লোমা CGPA: কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ন্যূনতম ৩.০০ (৪.০০ স্কেলে) থাকতে হবে।
  • এসএসসি GPA: এসএসসিতে ন্যূনতম ৩.০০ (৫.০০ স্কেলে) থাকতে হবে।
  • অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়: বর্তমানে বুয়েট, কুয়েট, রুয়েট এবং বেশ কিছু স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের ক্রেডিট ছাড় দিয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ রয়েছে।

৬. রেফার্ড পরীক্ষা ও প্রমোশন নিয়মাবলী (Trustworthiness)

  • রেফার্ড (Referred): কোনো বিষয়ে ৪০%-এর কম নম্বর পেলে শিক্ষার্থী উক্ত বিষয়ে রেফার্ড পায়। পরবর্তী সেমিস্টারের নিয়মিত পরীক্ষার সাথে রেফার্ড পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে হয়।
  • সিজিপিএ-তে প্রভাব: রেফার্ড ক্লিয়ার করার পর প্রাপ্ত নতুন গ্রেড অনুযায়ী সেমিস্টারের পরিবর্তিত জিপিএ চূড়ান্ত সিজিপিএ গণনায় ব্যবহৃত হয়।
  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট (৮ম পর্ব): ৮ম পর্বে শিক্ষার্থীদের বাস্তব শিল্প কারখানায় প্রশিক্ষণ নিতে হয়। এর মূল্যায়ন প্রতিষ্ঠান সুপারভাইজার, কারখানা কর্তৃপক্ষ এবং বিটিইবি বোর্ড ভাইভার সমন্বয়ে নির্ধারিত হয়।

৭. প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (BTEB Diploma FAQs)

প্রশ্ন ১: প্রবিধান ২০১৬ ও প্রবিধান ২০২২-এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
উত্তর: প্রবিধান ২০১৬-তে ৭ম পর্বে সর্বোচ্চ ২৫% এবং ৮ম পর্বে ১৫% ওয়েট ছিল। পক্ষান্তরে প্রবিধান ২০২২-এ ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম প্রতিটি পর্বে সমান ২০% করে ওয়েট এবং ৮ম পর্বে ১০% ওয়েট নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রশ্ন ২: ১ম বা ২য় সেমিস্টারে জিপিএ খারাপ হলে কি ডুয়েটে সুযোগ পাওয়া সম্ভব?
উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই। কারণ ১ম ও ২য় সেমিস্টার মিলে মাত্র ১০% ওয়েট। পরবর্তী সেমিস্টারগুলোতে ভালো করলে সহজেই ৩.০০ বা তার বেশি CGPA অর্জন করা সম্ভব।

প্রশ্ন ৩: ডিপ্লোমা সনদে কি প্রথম বিভাগ বা দ্বিতীয় বিভাগ লেখা থাকে?
উত্তর: বিটিইবি একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সনদে সিজিপিএ-এর পাশাপাশি ৩.০০ বা তার বেশি পেলে 'First Division' এবং ৩.৭৫ বা তার বেশি হলে 'First Division with Distinction' হিসেবে গণ্য করা হয়।