GPA
Calculator BD

ব্যাগেজ রুল সোনা আমদানি শুল্ক ক্যালকুলেটর

বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর সর্বশেষ যাত্রী (অ-পর্যটক) ব্যাগেজ বিধিমালা অনুযায়ী, আকাশপথে বিদেশ (যেমন: দুবাই, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সিঙ্গাপুর) থেকে আগত একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত (Duty-Free) এবং সর্বোচ্চ ১১৭ গ্রাম (১০ ভরি) স্বর্ণের বার নির্দিষ্ট শুল্ক পরিশোধ সাপেক্ষে বৈধভাবে দেশে আনতে পারেন।

তবে একই ডিজাইনের গহনা ১২টির বেশি আনলে বা ১১৭ গ্রামের বেশি স্বর্ণের বার আনলে তা বিমানবন্দরে সরাসরি চোরাচালান হিসেবে বাজেয়াপ্ত হতে পারে।

এই ক্যালকুলেটরটির মাধ্যমে আপনার আনা গহনা বা বারের সরকারি কাস্টমস শুল্ক, রেড চ্যানেল ডিক্লারেশন নিয়মাবলী এবং দুবাই থেকে কিনে আনলে ভরি প্রতি কত লাভ বা সাশ্রয় হবে তা তাৎক্ষণিক হিসাব করুন।

এনবিআর যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালা ২০২৬১০০g ট্যাক্স-ফ্রি • ১১৭g বারলাইভ আপডেট তারিখ: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

বিদেশ থেকে সোনা আনার শুল্ক ও কাস্টমস ক্যালকুলেটর

দুবাই, সৌদি আরব বা বিদেশ থেকে স্বর্ণালংকার ও বার আনার এনবিআর আইনি শুল্ক ও লাভ-ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব।

💍 স্বর্ণালংকার (Jewellery):সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম (৮.৫৭ ভরি) সম্পূর্ণ ট্যাক্স-ফ্রি।
🪙 স্বর্ণের বার (Bullion):সর্বোচ্চ ১১৭ গ্রাম (১০ ভরি); শুল্ক ৪,০০০ টাকা/ভরি।
⚪ রূপার গহনা (Silver):সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম পর্যন্ত সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত।
🚨 প্রবাসীদের জন্য কাস্টমস রেড চ্যানেল সতর্কতা:

আপনার কাছে যদি অনুমোদিত স্বর্ণের বার বা অতিরিক্ত গহনা থাকে, তবে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় বাধ্যতামূলকভাবে রেড চ্যানেল (Red Channel) দিয়ে গিয়ে কাস্টমস ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করতে হবে। গ্রিন চ্যানেল দিয়ে হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করলে বৈধ বারও চোরাচালান (Smuggling) আইনে বাজেয়াপ্ত হতে পারে!

স্বর্ণের বারের বিবরণ ও ওজন
ব্যাগেজে আনা সামগ্রীর সঠিক ওজন দিন। সিস্টেম এনবিআর আইন অনুযায়ী কাস্টমস শুল্ক হিসাব করবে।
সমতুল্য: 117.00 গ্রাম (10.031 ভরি)

দুবাই/সৌদি আরব থেকে কিনে ৪,০০০ টাকা ট্যাক্স দিলে দেশে কত টাকা লাভ হবে?

কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স মেমো
🟡 শুল্ক পরিশোধ সাপেক্ষে বৈধ
কাস্টমসকে প্রদেয় মোট সরকারি শুল্ক
৳40,123
(10.031 ভরি × ৳৪,০০০ সরকারি শুল্ক/ভরি)
সর্বোচ্চ ১১৭ গ্রাম (১০ ভরি) সীমার মধ্যে রয়েছে। রেড চ্যানেলে গিয়ে প্রতি ভরিতে ৪,০০০ টাকা কাস্টমস শুল্ক দিতে হবে।
মোট আনা ওজন:117.00 গ্রাম (10.031 ভরি)
আজকের বাংলাদেশের বাজারদর:৳24,16,977
বিমানবন্দরে ক্লিয়ারেন্সের ৫টি জরুরি নিয়ম

১. রেড চ্যানেল: স্বর্ণের বার থাকলে কোনোভাবেই গ্রিন চ্যানেলে যাবেন না।

২. ডিক্লারেশন ফরম: ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ডেস্কে ফর্ম পূরণ করে ট্যাক্স পরিশোধ করুন।

৩. ইনভয়েস সাথে রাখুন: কেনার আসল রশিদ ও ট্যাক্স ইনভয়েস কাস্টমস অফিসার দেখতে চাইতে পারে।

৪. ১২ বছরের শিশু: অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের নামে স্বর্ণের বার আনা নিষিদ্ধ।

প্রবাসী ভাইদের সচেতন করতে এই হিসাবটি শেয়ার করুন:
Share this tool with friends:

বিদেশ থেকে সোনা আনার এনবিআর কাস্টমস আইন ও ব্যাগেজ বিধিমালার সম্পূর্ণ গাইডলাইন

বাংলাদেশ কাস্টমস অ্যাক্ট ও যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালা ২০২৬ অনুযায়ী বিদেশ থেকে স্বর্ণালংকার, স্বর্ণের বার ও রূপা আনার আইনি নিয়মাবলী নিচে তুলে ধরা হলো:


১. স্বর্ণালংকার বা গহনা আনার নিয়মাবলী (Gold Jewellery Regulations)

  • শুল্কমুক্ত সুবিধা (Duty-Free Allowance):
    একজন যাত্রী বিদেশ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম (প্রায় ৮.৫৭ ভরি) ওজনের স্বর্ণালংকার সম্পূর্ণ বিনাশুল্কে (ট্যাক্স ছাড়া) ব্যাগেজে সাথে আনতে পারেন।
  • একই ডিজাইনের সীমাবদ্ধতা (Anti-Commercial Rule):
    একই ডিজাইনের গহনা (যেমন: একই ধরনের চেইন, চুড়ি বা আংটি) ১২টির বেশি আনা যাবে না। ১২টির বেশি আনলে কাস্টমস এটিকে বাণিজ্যিক চালান বিবেচনা করে বাজেয়াপ্ত করতে পারে।
  • ফিনিশড অলংকার বনাম কাঁচা ঢালাইয়ের ফাঁদ:
    গহনা অবশ্যই পরিধানযোগ্য ও প্রস্তুতকৃত (Finished Wearable Jewellery) হতে হবে। কোনো অপরিশোধিত সোনার তার, রিং সদৃশ গোল পাত বা কাঁচা বাট বানিয়ে আনলে কাস্টমস সেটিকে গহনা না মেনে স্বর্ণের বার হিসেবে গণ্য করবে।

২. স্বর্ণের বার বা বাট আনার নিয়মাবলী (Gold Bar / Bullion Regulations)

  • বার কখনো শুল্কমুক্ত নয়: স্বর্ণের বারে ১ গ্রাম আনলেও সরকারি শুল্ক দিতে হবে (কোনো প্রকার ডিউটি-ফ্রি সুবিধা নেই)।
  • সর্বোচ্চ আইনসম্মত সীমা:
    একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ১১৭ গ্রাম (১০ ভরি / ১০ তোলা) ওজনের স্বর্ণের বার বৈধভাবে শুল্ক দিয়ে আনতে পারেন। (পূর্বে এটি ২৩৪ গ্রাম ছিল, বর্তমানে কমিয়ে ১১৭ গ্রাম করা হয়েছে)।
  • নির্দিষ্ট কাস্টমস শুল্কের হার:
    প্রতি ১১.৬৬৪ গ্রাম (১ ভরি) স্বর্ণের বারের জন্য সরকারি কাস্টমস শুল্ক হলো ৪,০০০ টাকা।
গাণিতিক সূত্র (Formula)
মোট প্রদেয় কাস্টমস শুল্ক = ( স্বর্ণের বারের ওজন (গ্রাম) ÷ ১১.৬৬৪ ) × ৪,০০০ টাকা
  • ১১৭ গ্রামের বেশি বার আনলে (Smuggling Penalty):
    ১১৭ গ্রামের বেশি স্বর্ণের বার কোনো অবস্থাতেই ব্যাগেজে আনা যাবে না। অতিরিক্ত অংশ কাস্টমস কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হবে এবং যাত্রীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে চোরাচালান মামলা হতে পারে।

৩. রূপা আনার নিয়মাবলী (Silver Allowance)

  • একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম পর্যন্ত রূপার অলংকার সম্পূর্ণ বিনাশুল্কে ব্যাগেজে আনতে পারেন।

৪. বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জরুরি ৫টি আইনি শর্ত

  1. রেড চ্যানেল ডিক্লারেশন বাধ্যতামূলক: স্বর্ণের বার থাকলে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় অবশ্যই রেড চ্যানেলে (Red Channel) যেতে হবে এবং কাস্টমস ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করতে হবে। গ্রিন চ্যানেল দিয়ে হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করলে বৈধ বারও চোরাচালান হিসেবে গণ্য হবে।
  2. ১২ বছরের কম বয়সী শিশু: অপ্রাপ্তবয়স্ক বা ১২ বছরের কম বয়সী শিশু কোনো স্বর্ণ বা রূপার বার আনতে পারবে না।
  3. স্থলবন্দর দিয়ে আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: ব্যাগেজ সুবিধার স্বর্ণের বার শুধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (আকাশপথ) দিয়েই আনা যায়; বেনাপোল, হিলি বা কোনো স্থলবন্দর দিয়ে আনা যায় না।
  4. আসল ক্যাশ মেমো সাথে রাখুন: বিদেশ থেকে স্বর্ণ কেনার দোকান থেকে সিলযুক্ত আসল ইনভয়েস সাথে রাখবেন।
  5. ট্রানজিট পয়েন্টে প্রথম ক্লিয়ারেন্স: ঢাকা বা চট্টগ্রামে নামার পর সেখানেই কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন করতে হবে।
লাইভ ভরি দর
BAJUS
লাইভ আপডেট তারিখ: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
২২ ক্যারেট (হলমার্ক)৳220,858
প্রতি গ্রাম৳18,935
২৪ ক্যারেট (খাঁটি সোনা)৳240,954
প্রতি গ্রাম৳20,658
💡 বিক্রয় ও বদল দর:
ক্যাশ বিক্রয় (-১৮%):৳181,104
নতুন বদল (-১৩%):৳192,146
স্বর্ণ পরিমাপ একক ও রূপান্তর
১ ভরি সমান১১.৬৬৩৮ গ্রাম
১ ভরি সমান১৬ আনা (৯৬০ পয়েন্ট)
১ আনা৬ রতি = ৬০ পয়েন্ট
১ রতি১০ পয়েন্ট = ০.১২১৫ গ্রাম
১ গ্রাম৮২.৩ পয়েন্ট
ভরি ও পয়েন্ট কনভার্টার ব্যবহার করুন
ক্যারেট ও বিশুদ্ধতার তালিকা
২৪ ক্যারেটপাকা সোনা / বার
৯৯.৯% খাঁটি
২২ ক্যারেটহলমার্ক ৯১৬ (সেরা গহনা)
৯১.৬% খাঁটি
২১ ক্যারেটহলমার্ক ৮৭৫ (শক্তিশালী)
৮৭.৫% খাঁটি
১৮ ক্যারেটহলমার্ক ৭৫০ (হালকা গহনা)
৭৫.০% খাঁটি
সনাতন পদ্ধতিঐতিহ্যবাহী প্রাচীন সোনা
৬০-৭০% খাঁটি
গহনা কেনার ৫টি নিরাপদ টিপস
লেজার হলমার্ক নিশ্চিত করুন: গহনার পেছনে 916 বা 875 সিল দেখে নিন।
মেকিং চার্জ দরদাম করুন: সাধারণ ডিজাইনে ৩,০০০-৪,০০০ টাকা/ভরি মজুরি স্ট্যান্ডার্ড।
পাথরের ওজন বাদ দিন: স্টোন বা কুন্দন থাকলে নিট স্বর্ণের ওজন মেমোতে লিখিয়ে নিন।
৫% ভ্যাটসহ পাকা রসিদ: বিক্রির সময় রসিদ না থাকলে গলন চার্জ বেশি কাটা যায়।
বদল সুবিধা নিন: ক্যাশ বিক্রির চেয়ে নতুন গহনায় বদল করলে ৫% টাকা সাশ্রয় হয়।