আয়কর ক্যালকুলেটর ২০২৬-২৭
আয়কর ক্যালকুলেটর ২০২৬-২৭ (Finance Act 2026 অনুযায়ী হালনাগাদ)
অর্থ আইন ২০২৬ (Finance Act 2026) পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর কাঠামোয় যুগান্তকারী ও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আপনি যদি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী বা পেশাজীবী হন, তবে আপনার বাৎসরিক আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) প্রস্তুত করার জন্য এই নতুন নিয়মগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানা অপরিহার্য।
আমাদের এই Income Tax Calculator BD টুলটিতে ২০২৬-২৭ করবর্ষের (আয়বর্ষ ২০২৫-২৬) সবশেষ গেজেট, অনুমোদিত করমুক্ত আয়সীমা (Tax-Free Threshold), সংশোধিত কর স্ল্যাব, বেতনের এক-তৃতীয়াংশ কর অব্যাহতি এবং ১০% বিনিয়োগ কর রেয়াত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বিত করা হয়েছে।
📌 Finance Act 2026 এর প্রধান পরিবর্তনসমূহ একনজরে:
- করমুক্ত সীমা বৃদ্ধি: সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৩.৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৳৪,০০,০০০ টাকা করা হয়েছে।
- পুরাতন ৫% স্ল্যাব বিলুপ্ত: করমুক্ত সীমার পর পুরাতন ৫% স্ল্যাব তুলে দেওয়া হয়েছে; এখন সরাসরি ১০% হারে কর প্রযোজ্য।
- বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা মার্জ: বাড়ি ভাড়া বা চিকিৎসা ভাতার পুরাতন জটিল অনুপাত বাদ দিয়ে মোট গ্রস বেতনের ১/৩ অংশ (সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা) একক করমুক্ত সুবিধা কার্যকর।
- বিনিয়োগ রেয়াত ১০%: অনুমোদিত বিনিয়োগের উপর কর রেয়াত ১৫% থেকে কমিয়ে ১০% এবং সর্বোচ্চ সীমা ৭.৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- নতুন করদাতাদের ছাড়: প্রথমবার রিটার্ন দাখিলকারীদের জন্য ন্যূনতম কর মাত্র ১,০০০ টাকা।
কীভাবে আয়কর ও মাসিক টিডিএস (TDS) হিসাব করবেন?
- মাসিক গ্রস বেতন: আপনার মূল বেতন (Basic), বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত সহ প্রতি মাসের সর্বমোট গ্রস বেতন লিখুন।
- উৎসব বোনাস: বছরে প্রাপ্ত ২টি উৎসব বোনাস (ঈদ/পূজা) বা বাৎসরিক ইনসেন্টিভ যোগ করুন।
- করদাতার শ্রেণি: পুরুষ, নারী/৬৫+ বয়স্ক, প্রতিবন্ধী/তৃতীয় লিঙ্গ বা মুক্তিযোদ্ধা ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন।
- বিনিয়োগ ও রিবেট: ডিপিএস, সঞ্চয়পত্র, জীবন বীমা বা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকৃত অর্থ লিখুন।
- ফলাফল: তাৎক্ষণিকভাবে জেনে নিন আপনার করযোগ্য আয়, প্রদেয় কর, বিনিয়োগ রিবেট এবং অফিস প্রতি মাসে বেতন থেকে কত টাকা টিডিএস (TDS) কাটবে।
| কর স্ল্যাব | স্ল্যাবে অন্তর্ভুক্ত আয় | করের হার | করের পরিমাণ |
|---|---|---|---|
| ১ম ৳4,00,000 (করমুক্ত) | ৳4,00,000 | 0% | ৳0 |
| পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা (১০%) | ৳3,00,000 | 10% | ৳30,000 |
| স্ল্যাব অনুযায়ী মোট কর (রেয়াত পূর্ববর্তী): | ৳30,000 | ||
সাধারণ করদাতাদের জন্য ২০২৬-২৭ করবর্ষের অনুমোদিত স্ল্যাব
| স্ল্যাব বিবরণ | আয়ের পরিমাণ | করের হার | সর্বোচ্চ কর |
|---|---|---|---|
| প্রথম স্ল্যাব | প্রথম ৳৪,০০,০০০ পর্যন্ত | ০% (করমুক্ত) | ৳০ |
| দ্বিতীয় স্ল্যাব | পরবর্তী ৳৩,০০,০০০ (৪,০০,০০১ - ৭,০০,০০০) | ১০% | ৳৩০,০০০ |
| তৃতীয় স্ল্যাব | পরবর্তী ৳৪,০০,০০০ (৭,০০,০০১ - ১১,০০,০০০) | ১৫% | ৳৬০,০০০ |
| চতুর্থ স্ল্যাব | পরবর্তী ৳৫,০০,০০০ (১১,০০,০০১ - ১৬,০০,০০০) | ২০% | ৳১,০০,০০০ |
| পঞ্চম স্ল্যাব | পরবর্তী ৳২০,০০,০০০ (১৬,০০,০০১ - ৩৬,০০,০০০) | ২৫% | ৳৫,০০,০০০ |
| ষষ্ঠ স্ল্যাব | অবশিষ্ট আয় (৳৩৬,০০,০০০ এর উপরে) | ৩০% | অবশিষ্ট ৩০% |
এই ক্যালকুলেটরটি আয়কর আইন ২০২৩ এবং অর্থ আইন ২০২৬-এর নির্দেশিকা অনুসারে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত আয়কর অনুমানের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কর পরামর্শ বা আইনি সনদ নয়। আপনার সুনির্দিষ্ট সম্পদ বিবরণী (IT-10B), কর অব্যাহতি ও চূড়ান্ত আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট (nbr.gov.bd) অথবা একজন অভিজ্ঞ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA) / কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
অর্থ আইন ২০২৬ ও আয়কর আইন ২০২৩: বিস্তারিত বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের কর ব্যবস্থাকে সহজীকরণ ও করজাল বিস্তৃত করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) ও অর্থ মন্ত্রণালয় আয়কর কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার এনেছে। নিচে প্রতিটি পরিবর্তনের বিশদ বিবরণ তুলে ধরা হলো:
⚠️ জরুরি বিষয়: "House Rent Exemption" আলাদা নেই কেন?
অনেকেই পুরাতন নিয়মের অভ্যাসবশত মূল বেতনের (Basic Salary) ৫০% বা মাসিক ২৫,০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া এবং চিকিৎসা ও যাতায়াত ভাতার পৃথক কর অব্যাহতি খোঁজেন।
আইনি বাস্তবতা: আয়কর আইন ২০২৩ (Income Tax Act 2023) কার্যকর হওয়ার পর এবং অর্থ আইন ২০২৬-এ এটি পুনঃনিশ্চিত করা হয়েছে যে—বাড়ি ভাড়া (House Rent), চিকিৎসা ভাতা (Medical Allowance) ও যাতায়াত ভাতা (Conveyance) আলাদা করে দেখানোর কোনো বিধান নেই।
সব ধরণের ভাতা মূল বেতনের সাথে যোগ করে একটি সমন্বিত "বেতন জনিত আয়কর অব্যাহতি" (Salary/Employment Exemption) দেওয়া হয়:
📐 বেতন কর অব্যাহতির সূত্র:
- Salary Exemption = Min(১/৩ × বাৎসরিক মোট গ্রস বেতন, ৫,০০,০০০ টাকা)
- করযোগ্য বেতন = বাৎসরিক মোট গ্রস বেতন - Salary Exemption
অর্থাৎ, কোনো চাকরিজীবী বছরে ১৫ লাখ টাকা গ্রস বেতন পেলে তিনি সরাসরি এক-তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৫ লাখ টাকা করমুক্ত সুবিধা পাবেন। কোনো আলাদা ভাউচার বা খরচের হিসাব পেশ করতে হবে না।
২০২৬-২৭ করবর্ষের অনুমোদিত আয়কর স্ল্যাব (Tax Slabs)
২০২৬-২৭ করবর্ষে (আয়বর্ষ ২০২৫-২৬) করমুক্ত সীমার পরবর্তী আয়ের উপর ৫টি প্রগতিশীল স্ল্যাবে কর নির্ধারিত হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বহুল ব্যবহৃত পুরাতন ৫% স্ল্যাবটি তুলে দিয়ে সরাসরি ১০% থেকে কর নির্ধারণ করা হয়েছে:
| স্ল্যাব ক্রম | আয়ের পরিধি (সাধারণ করদাতা) | করের হার | সর্বোচ্চ কর |
|---|---|---|---|
| প্রথম স্ল্যাব | প্রথম ৳৪,০০,০০০ পর্যন্ত | ০% (করমুক্ত) | ৳০ |
| দ্বিতীয় স্ল্যাব | পরবর্তী ৳৩,০০,০০০ (৳৪,০০,০০১ থেকে ৭,০০,০০০) | ১০% | ৳৩০,০০০ |
| তৃতীয় স্ল্যাব | পরবর্তী ৳৪,০০,০০০ (৳৭,০০,০০১ থেকে ১১,০০,০০০) | ১৫% | ৳৬০,০০০ |
| চতুর্থ স্ল্যাব | পরবর্তী ৳৫,০০,০০০ (৳১১,০০,০০১ থেকে ১৬,০০,০০০) | ২০% | ৳১,০০,০০০ |
| পঞ্চম স্ল্যাব | পরবর্তী ৳২০,০০,০০০ (৳১৬,০০,০০১ থেকে ৩৬,০০,০০০) | ২৫% | ৳৫,০০,০০০ |
| ষষ্ঠ স্ল্যাব | অবশিষ্ট করযোগ্য আয় (৳৩৬,০০,০০০ এর উপরে) | ৩০% | অবশিষ্টের ৩০% |
শ্রেণিভেদে করমুক্ত আয়ের সীমা (Tax-Free Thresholds)
নাগরিকদের সামাজিক সুরক্ষা ও বিশেষ মর্যাদা বিবেচনায় করমুক্ত আয়ের সাধারণ সীমার চেয়ে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে:
| করদাতার শ্রেণি | করমুক্ত আয়সীমা | বিশেষ শর্তাবলী |
|---|---|---|
| সাধারণ করদাতা (পুরুষ) | ৳৪,০০,০০০ | সকল সাধারণ পুরুষ করদাতার জন্য প্রযোজ্য |
| নারী ও ৬৫+ জ্যেষ্ঠ নাগরিক | ৳৪,৫০,০০০ | সকল নারী এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী পুরুষ |
| প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ | ৳৫,২৫,০০০ | উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সমাজসেবা সনদধারী |
| গেজেটেড যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা | ৳৫,৫০,০০০ | মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গেজেটভুক্ত |
অতিরিক্ত সুবিধা: কোনো করদাতার প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্য থাকলে প্রতি সন্তানের জন্য করমুক্ত সীমা অতিরিক্ত ৳৫০,০০০ টাকা বৃদ্ধি পাবে।
বিনিয়োগ কর রেয়াত (Investment Tax Rebate) হিসাবের নিয়ম
অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে করদাতারা তাদের প্রদেয় করের একটি বড় অংশ সাশ্রয় করতে পারেন। অর্থ আইন ২০২৬ অনুযায়ী বিনিয়োগ রেয়াত ১০% নির্ধারণ করা হয়েছে:
অনুমোদিত বিনিয়োগ খাতসমূহ:
- ডিপিএস (DPS) — বাৎসরিক সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা পর্যন্ত
- জাতীয় সঞ্চয়পত্র ক্রয় (আইনি সীমার মধ্যে)
- শেয়ার বাজার / তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ
- নিজের বা সন্তানের জীবন বীমা প্রিমিয়াম (পলিসি মূল্যের সর্বোচ্চ ১০%)
- সরকার অনুমোদিত পেনশন ফান্ড বা কল্যাণ তহবিল
📐 রেয়াতের গাণিতিক সূত্র: Rebate = Min(৩% × মোট করযোগ্য আয়, ১০% × অনুমোদিত বিনিয়োগ, ৭,৫০,০০০ টাকা)
ন্যূনতম কর (Minimum Tax) বিধিমালা
আপনার মোট করযোগ্য আয় যদি করমুক্ত আয়সীমা অতিক্রম করে, তবে বিনিয়োগ রেয়াত বা অন্যান্য কর্তন বাদ দিয়েও একটি নির্দিষ্ট অংকের ন্যূনতম কর সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে:
| করদাতার ধরন | প্রযোজ্য ন্যূনতম কর |
|---|---|
| প্রথমবার রিটার্ন দাখিলকারী নতুন করদাতা | ৳১,০০০ |
| ঢাকা উত্তর/দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন | ৳৫,০০০ |
| অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকা | ৳৪,০০০ |
| সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত অন্যান্য জেলা ও পৌরসভা | ৳৩,০০০ |
📌 নোট: যদি কোনো করদাতার মোট বাৎসরিক আয় করমুক্ত সীমার (যেমন সাধারণ পুরুষের জন্য ৪ লাখ টাকা) নিচে থাকে, তবে তাকে কোনো ন্যূনতম কর দিতে হবে না (করদায় শূন্য)।
বাজেট ২০২৬: প্রস্তাবিত বনাম চূড়ান্ত পাসের ইতিহাস (Timeline)
বাংলাদেশে ২০২৬ সালের জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের সময় করমুক্ত সীমা ৩,৭৫,০০০ টাকা করার প্রাথমিক প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছিল। পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে অর্থ আইন ২০২৬ চূড়ান্ত পাসের সময় করদাতাদের স্বস্তি দিতে এটি বাড়িয়ে ৪,০০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া বিনিয়োগ রেয়াতের হার ১৫% থেকে যৌক্তিকীকরণ করে ১০% এ চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
সম্পর্কিত আর্থিক ও কর বিষয়ক ক্যালকুলেটর:
- সঞ্চয়পত্র মুনাফা ও উৎসে কর ক্যালকুলেটর
- ব্যাংক ডিপিএস (DPS) মুনাফা ক্যালকুলেটর
- জমি ও ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন খরচ ক্যালকুলেটর
- ভ্যাট (VAT) ক্যালকুলেটর বাংলাদেশ
সাধারণ জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
১. বাড়ি ভাড়া বা চিকিৎসা ভাতার রসিদ কি ট্যাক্স ফাইলের সাথে জমা দিতে হবে?
না। নতুন আয়কর আইন ২০২৩ ও অর্থ আইন ২০২৬ অনুযায়ী পৃথক ভাতার কোনো ভাউচার বা প্রমাণপত্র দাখিল করতে হয় না। মোট গ্রস বেতনের এক-তৃতীয়াংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করমুক্ত সুবিধা হিসেবে গণ্য হয়।
২. মাসিক টিডিএস (TDS) কী এবং কীভাবে কাটে?
TDS অর্থ Tax Deducted at Source (উৎস কর কর্তন)। কোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীর বাৎসরিক আনুমানিক মোট প্রদেয় করকে ১২ দিয়ে ভাগ করে প্রতি মাসের বেতন থেকে সমহারে কেটে নেওয়া হয়।
৩. ই-রিটার্ন (e-Return) অনলাইনে কীভাবে জমা দেব?
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিশিয়াল ই-ট্যাক্স পোর্টাল etaxnbr.gov.bd এ গিয়ে আপনার টিআইএন (TIN) এবং বায়োমেট্রিক নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে সম্পূর্ণ অনলাইনে রিটার্ন দাখিল ও ট্যাক্স সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে পারেন।
৪. আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় কবে?
সাধারণভাবে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য প্রতি বছর ৩০ নভেম্বর "জাতীয় কর দিবস" হিসেবে নির্ধারিত থাকে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় এনবিআর মাঝে মাঝে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করে থাকে।
আইনি সতর্কতা (YMYL Disclaimer)
এই ক্যালকুলেটরটি এবং প্রদত্ত তথ্যসমূহ শুধুমাত্র সাধারণ সচেতনতা ও কর অনুমানের উদ্দেশ্যে সংকলিত। সুনির্দিষ্ট সম্পদ বিবরণী (IT-10B), দায়-দেনা ও জটিল হিসাবের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (nbr.gov.bd) দেখুন অথবা একজন লাইসেন্সধারী আয়কর আইনজীবী (ITP) বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA)-এর সরাসরি সহায়তা গ্রহণ করুন।